বদল অবশ্যম্ভাবী না পরিবর্তন সুনিশ্চিত নাকি অন্যকিছু হেডিং করব ভাবতে না ভাবতেই একটি পত্রিকার সাইট খুলে গেল। তাতে আমাদের হবু বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রীর নতুন বচন পরলাম এবং এটা সুনিশ্চিত হয়েগেলাম যে তিনিও নিশ্চিন্ত যে আশু বদল হচ্ছে। দেওয়ালের লিখন তিনি পরে ফেলেছেন। শুধু পরিক্ষার রেসাল্ট বেরোনোর অপেক্ষা। আর তাতে যে তিনি তলানিতে পৌঁছবেন তা তিনি বুঝেগেছেন। পশ্চিমবঙ্গকে লন্ডনে পৌঁছনোর লোভ দেখিয়ে হাইজাক করে কলম্বিয়া পৌছে দিয়েছেন যেখানে নিত্য হানাহানি, মিথ্যাচার আর কর্মহীনতা জীবন দুর্ভিসহ করে তুলেছে। এককথায় সামাজিক অবক্ষয় হয়েছে।
যাহোক, পশ্চিমবঙ্গের মানুষজন এই প্রথমবার নিজের ভোট যে দিতে পেরেছে তার জন্য নির্বাচন কমিশন কে ধন্যবাদ। আমার মত কিছু লোক যারা উপস্থিত থেকে ভোট দিতে পারেনি তারা নিশ্চিন্ত করেছে ভুতে যাতে তাদের ভোটটা দিতে না পারে। ভুতের ভোট দান বা ছাপ্পা ভোট - যার আশঙ্কা করে আমি আগে লিখেছিলাম মানুষ পরিবর্তন চাইলেও পরিবর্তন নাও হতে পারে। মাননীয় প্রধান নির্বাচন কমিশনারের উদ্যোগে এই প্রথমবার মানুষকে সতস্ফুর্ত ভাবে ভোট দিতে দেখা গেছে। মানুষের মধ্যে সেই ২০০১ সালের মত এককাট্টা মনোভাব দেখা গেছে এবং এবার তা শুভ পরিবর্তনের পক্ষে। নরক থেকে মুক্তির স্বাদ পেতে মরিয়া মনোভাব। যে মনোভাব সকল মানুষকে একজোট হয়ে অশুভ শক্তির বিদায় ঘন্টা বাজিয়ে দিয়েছে। পূর্বতন বামফ্রন্ট সরকারকে শিক্ষা দিতে গিয়ে যে এমন বিপর্যয় ডেকে এনেছিল সেই ভুল এইবার শুধরে নিয়েছে আর বাংলার ইতিহাসের অন্যতম এক কলঙ্কজনক অধ্যায়ের পরিসমাপ্তি ঘটাতে চলেছে। হাঁ মানুষ নিজের ভুল স্বীকার করে ভুলের প্রায়শ্চিত্য করেছে। আর তাতেই পরিবর্তন সুনিশ্চিত!
আর একটি দায়িত্ব হবে বর্তমান প্রজন্মের কাছে ফীল-গুড পরিবেশ তৈরী করা ও ভবিষ্যত প্রজন্মের দিকে লক্ষ্য রেখে পুরাতন অচল আদর্শ মুলতুবি রেখে নতুন ইতিহাস তৈরী করা যাতে বিশ্ববাসি আমাদের থেকে আদর্শ ধার করে। আমরা তাদের থেকে নয়।
মানুষ ভালো কিছু করার সুযোগ দিয়েছে তার সম্পূর্ণ মর্যাদা দেওয়া হোক।