.
রাজনৈতিক লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
রাজনৈতিক লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

সোমবার, ২ মে, ২০১৬

পরিবর্তন সুনিশ্চিত!

বদল অবশ্যম্ভাবী না পরিবর্তন সুনিশ্চিত নাকি অন্যকিছু হেডিং করব ভাবতে না ভাবতেই একটি পত্রিকার সাইট খুলে গেল। তাতে আমাদের হবু বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রীর নতুন বচন পরলাম এবং এটা সুনিশ্চিত হয়েগেলাম যে তিনিও নিশ্চিন্ত যে আশু বদল হচ্ছে। দেওয়ালের লিখন তিনি পরে ফেলেছেন। শুধু পরিক্ষার রেসাল্ট বেরোনোর অপেক্ষা। আর তাতে যে তিনি তলানিতে পৌঁছবেন তা তিনি বুঝেগেছেন। পশ্চিমবঙ্গকে লন্ডনে পৌঁছনোর লোভ দেখিয়ে হাইজাক করে কলম্বিয়া পৌছে দিয়েছেন যেখানে নিত্য হানাহানি, মিথ্যাচার আর কর্মহীনতা জীবন দুর্ভিসহ করে তুলেছে। এককথায় সামাজিক অবক্ষয় হয়েছে।

যাহোক, পশ্চিমবঙ্গের মানুষজন এই প্রথমবার নিজের ভোট যে দিতে পেরেছে তার জন্য নির্বাচন কমিশন কে ধন্যবাদ। আমার মত কিছু লোক যারা উপস্থিত থেকে ভোট দিতে পারেনি তারা নিশ্চিন্ত করেছে ভুতে যাতে তাদের ভোটটা দিতে না পারে। ভুতের ভোট দান বা ছাপ্পা ভোট - যার আশঙ্কা করে আমি আগে লিখেছিলাম মানুষ পরিবর্তন চাইলেও পরিবর্তন নাও হতে পারে। মাননীয় প্রধান নির্বাচন কমিশনারের উদ্যোগে এই প্রথমবার মানুষকে সতস্ফুর্ত ভাবে ভোট দিতে দেখা গেছে। মানুষের মধ্যে সেই ২০০১ সালের মত এককাট্টা মনোভাব দেখা গেছে এবং এবার তা শুভ পরিবর্তনের পক্ষে। নরক থেকে মুক্তির স্বাদ পেতে মরিয়া মনোভাব। যে মনোভাব সকল মানুষকে একজোট হয়ে অশুভ শক্তির বিদায় ঘন্টা বাজিয়ে দিয়েছে। পূর্বতন বামফ্রন্ট সরকারকে শিক্ষা দিতে গিয়ে যে এমন বিপর্যয় ডেকে এনেছিল সেই ভুল এইবার শুধরে নিয়েছে আর বাংলার ইতিহাসের অন্যতম এক কলঙ্কজনক অধ্যায়ের পরিসমাপ্তি ঘটাতে চলেছে। হাঁ মানুষ নিজের ভুল স্বীকার করে ভুলের প্রায়শ্চিত্য করেছে। আর তাতেই পরিবর্তন সুনিশ্চিত!

আগত নতুন সরকারের প্রাথমিক দ্বায়িত্ব হবে সবার আগে রাজ্যে শিল্প স্থাপন করা। যাতে রাজ্যে শিল্প আসে তা সুনিশ্চিত করা। হানাহানির বদলা না নিয়ে মানুষের সাথে চলে তাদের বিশ্বাস অর্জন করে শিল্প স্থাপনের উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি করা। এছাড়া শিল্পক্ষেত্রে দলীয় কর্মীদের ভর্তির জন্য বাধ্য না করে তাদের সঠিক (উপযুক্ত) লোক নির্বাচনের স্বাধীনতা দেওয়া। এক কথায় নিরপেক্ষ শিল্প নীতি তৈরী করা যাতে নতুন কর্মোদ্যোগ ও কর্মসংস্থান এর সু-পরিবেশ সৃষ্টি হয়। কৃষিক্ষেত্রকে পাঞ্জাব হরিয়ানা ও জাপান মডেল প্রয়োগ করে খাদ্য উতপাদন-এ শীর্ষ স্থান ফিরিয়ে আনা। 

আর একটি দায়িত্ব হবে বর্তমান প্রজন্মের কাছে ফীল-গুড পরিবেশ তৈরী করা ও ভবিষ্যত প্রজন্মের দিকে লক্ষ্য রেখে পুরাতন অচল আদর্শ মুলতুবি রেখে নতুন ইতিহাস তৈরী করা যাতে বিশ্ববাসি আমাদের থেকে আদর্শ ধার করে। আমরা তাদের থেকে নয়।

মানুষ ভালো কিছু করার সুযোগ দিয়েছে তার সম্পূর্ণ মর্যাদা দেওয়া হোক।

বৃহস্পতিবার, ১৪ এপ্রিল, ২০১৬

দিকে দিকে উন্নয়নের ধারা বজায় রউক

উন্নয়ন(?) বজায় রউক!


পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন প্রক্রিয়া চলিতেছে। দিদি পুরাতন প্রক্রিয়া কে আরও উন্নততর করিয়াছেন এবং সেহ কারণে সেথায় পরিবর্তনের লক্ষ্যন প্রবল হইলেও উন্নততম সাইন্টিফিক রিগিং বাতাসা ল্যাব তৈরী থাকিবার জন্য আশু বদল সম্ভব নহে।জঙ্গলমহলের মা এর হাতে বাঙলার মাটি-র লক্ষ্যধিক (পড়িতে হইবে  কোটি) মানুষ এর উপর দইনন্দিন অত্যাচার আজ হাহাকার-এ পর্জ্যবসিত এবং বঙ্গ জীবনের আজ এক অপরিহার্য্য অঙ্গ। দিকে দিকে উন্নয়নের ধারা ঘটিয়াছে (যাহাদিগকে সাইকেল, অর্থ, তত্কালীন বিশেষ সুবিধা প্রাপ্তি হইয়াছে তাহাদের উন্নয়ন তো হয়েছেই তা অব্স্বীকার করিবার উপায় নাই) এবং তাহার আশু পশ্রবে সিন্ডিকেট তদপুদরী "শিক্ষ্যা হাম্লাকেট" এর দৌলতে উন্নয়ন এক অনন্য মাত্রা পাইয়াছে। শিক্ষ্যা ব্যবস্থা ধংস করিলেই মূল উন্নয়ন (না থাকিবে বাঁশ না বাজিবে শুভ বুদ্ধির বংশী), গাড়ি শিল্প ধংসস্তুপে চপ শিল্পের অগ্রগতিতে উন্নয়ন, সিন্ডিকেটে কর্মসংস্থানে বেকার (নাকি গুন্ডারাজ) উন্নয়ন, তদাদিকল্পে বেশকিছু প্রতারক (থুড়ি শিল্পদ্যোগী থুড়ি আর্থিক উন্নয়ন সাধনকারী) ব্যক্তি দ্বারা বঙ্গবাসীর জাতিসত্তার উন্নয়ন, শ্রমিকের দিনমজুরী পকেটস্থ করিয়া অনুগতশক্তির উন্নয়ন, সর্বমিলিত ভাবে রাজ্য জুড়িয়া উন্নয়ন হি উন্নয়ন ঘটিতেছে যে আমাদিগকে তাহা বিশ্বাস করিতে হইব না করিলে বিশেষ তকমা কপালে সাটিয়া ভাণিশ পর্য্যন্ত হইতে পারেন। নিন্দুকের এ বঙ্গে কোনো স্থান নাই। এ বঙ্গ ক্রমশ মধ্যযুগীয় বর্বরতার প্রতীক হইয়া উঠিতেছে। উন্নয়ন (ত্রাস!) দীর্ঘজীবি হউক। 

বঙ্গবাসীর (থুড়ি !মূল বঙ্গবাসীর) শুভো বোধদয়ের প্রবল কামনা করিয়া নববর্ষের বিশেষ শুভেচ্ছা (দীর্ঘশাস!!!) জানাই। 
Author